জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা
জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানেন কি? বর্তমান জীবনের ব্যস্ততায় স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং শারীরিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জিম করা এক জনপ্রিয় পন্থা হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের মেটাবলিজম উন্নত করে, মানসিক চাপ কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে।
ডা. শামসুজ্জামান, যিনি একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, তিনি বলেন, “শরীরচর্চার মাধ্যমে শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে, তবে অতিরিক্ত বা ভুল পদ্ধতিতে জিম করলে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে।” আজকের পোস্টের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন, জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
জনপ্রিয় স্বাস্থ্য ব্লগ Healthline এবং WebMD- এর মতো সাইটে জিমের উপকারিতা ও এর কিছু অপকারিতার উপর বিস্তৃত আলোচনা পাওয়া যায়। তারা উল্লেখ করেছে, জিমে নিয়মিত অনুশীলন করলে পেশির গঠন উন্নত হয় এবং ওজন কমানো সহজ হয়। তবে ভুল নির্দেশনায় জিমে ব্যায়াম অনুশীলন করলে পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা জখম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই ব্লগে আমরা জিমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরব। জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে আপনি নিজেরই আপনার শরীরের সুস্থতার জন্য সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পারবেন।
জিম করলে কি হয়?
জিম করলে শরীরের পেশি বৃদ্ধি পায়, শক্তিশালী হয়, এবং অতিরিক্ত ওজন কমে। নিয়মিত ব্যায়াম হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়। এটি হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে, শরীরের নমনীয়তা বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
পাশাপাশি, ব্যায়ামের ফলে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিকভাবে জিম করলে শরীর ও মন একসঙ্গে সুস্থ থাকে।
কাদের জিম করা উচিত
জিমে যাওয়া সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট মানুষ এতে বিশেষ উপকার পেতে পারেন। চলুন জেনে নিই, কাদের জন্য জিমে যাওয়া কার্যকর হতে পারে:
যারা ওজন কমাতে চান: ওজন বেড়ে যাওয়া বা স্থূলতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য জিমের নিয়মিত ব্যায়াম খুবই উপকারী। এটি ক্যালরি খরচ করানোর পাশাপাশি বিপাকক্রিয়াকে সুস্থ করে এবং দীর্ঘমেয়াদে মাংসপেশি শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।
যারা কর্মজীবনে বসে কাজ করেন: যারা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন, তাঁদের শারীরিক সক্রিয়তা অনেক কম থাকে। এতে মেরুদণ্ড ও পেশির সমস্যা দেখা দিতে পারে। জিমে ব্যায়াম এই সমস্যাগুলি প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়।
যারা মানসিক চাপ কমাতে চান: মানসিক চাপ কমানোর জন্য শারীরিক ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। জিমের ওয়ার্কআউট শরীরে এন্ডোরফিন হরমোন বাড়ায়, যা স্বাভাবিকভাবে সুখানুভূতি এনে দেয় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
যাঁদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি: যাঁদের পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস আছে বা উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল প্রভৃতি সমস্যা রয়েছে, তাঁদের হৃদ্রোগ প্রতিরোধ করার জন্য নিয়মিত জিমে যাওয়া উচিত।
যারা পেশি গঠন বা শক্তি বাড়াতে চান: পেশি গঠন বা শরীরকে শক্তিশালী করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য জিমের নিয়মিত ব্যায়াম প্রয়োজন। এটি শুধুমাত্র বাহ্যিক পরিবর্তনই আনে না, শরীরের সামগ্রিক ক্ষমতাও বাড়ায়।
জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা
জিম করার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও অপকারিতা দুইই রয়েছে। তবে অপকারিতা চেয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি পাওয়া যায়। এছাড়াও জিম করার সময় নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন, পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিক গুনাগুন সম্পূর্ণ খাবার ও নিয়মিত জিম না করা হলে স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন অপকারিতা ডেকে আনে।নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে জিম এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার খেলে স্বাস্থ্য অপকারিতা এড়িয়ে চলা যায়। নিচে জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
জিম করার উপকারিতা
নিয়মিত জিমে যাওয়া শুধু শরীরকে আকর্ষণীয় করে তোলে না, বরং এটি স্বাস্থ্যকে বহুমাত্রিক উপকার করে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও থিওরির ভিত্তিতে জিমের কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা নিচে আলোচনা করা হলো:
১. হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে
নিয়মিত ব্যায়াম হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, এরোবিক ও রেসিস্ট্যান্স ট্রেনিং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে।
২. ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর
ক্যালরি বার্নের মাধ্যমে জিমের ব্যায়াম শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমায়। "এনার্জি ব্যালেন্স থিওরি" অনুসারে, যখন আপনি ক্যালরি গ্রহণের চেয়ে বেশি ক্যালরি খরচ করেন, তখন ওজন কমে। নিয়মিত জিমে যাওয়া এই প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
৩. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়
জিমে ব্যায়াম করলে শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, যা প্রাকৃতিকভাবে মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়াম ডিপ্রেশন ও মানসিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. পেশি ও হাড়ের শক্তি বাড়ায়
ওজন তোলার ব্যায়াম (strength training) পেশির মাইক্রো-টিয়ার তৈরি করে। এটি যা শক্তিশালী পেশি গঠনে সাহায্য করে। "ওভারলোড প্রিন্সিপল" অনুযায়ী, পেশির উপর চাপ দিলে সেগুলি শক্তিশালী হয়। এছাড়া, ব্যায়াম অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
নিয়মিত ব্যায়াম ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। "জার্নাল অফ স্পোর্টস সায়েন্স" অনুযায়ী, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম সাদা রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে শরীরকে রোগ-প্রতিরোধে আরও সক্ষম করে তোলে।
৬. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
নিয়মিত ব্যায়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অ্যামেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা অনুযায়ী, এরোবিক ও রেসিস্ট্যান্স ট্রেনিং টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৭. ঘুমের মান উন্নত করে
ব্যায়াম শরীরের মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন বাড়িয়ে পর্যাপ্ত ঘুমে সহায়তা করে। "ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন"-এর মতে, নিয়মিত ব্যায়াম অল্প সময়ে ঘুমানোর প্রবণতা কমিয়ে গভীর এবং ভালো ঘুম নিশ্চিত করে।
৮. বয়সজনিত সমস্যার ঝুঁকি কমায়
জিমে ব্যায়াম শুধু বর্তমান নয়, আপনার ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মাংসপেশির ক্ষয় (sarcopenia) রোধ করে, হাড় শক্তিশালী রাখে এবং বয়সজনিত আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি কমায়।
৯. পাচনতন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে
জিমে নিয়মিত ব্যায়াম করলে হজম প্রক্রিয়া ভালো হয় এবং খাদ্যের পুষ্টিগুণ শরীরে সঠিকভাবে ব্যবহার হয়। বিশেষ করে, এরোবিক ব্যায়াম অন্ত্রের গতিশীলতা বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
১০. কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে
জিমে ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের স্ট্যামিনা ও শক্তি বাড়ে। এটি দৈনন্দিন কাজের চাপ সহ্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কর্মক্ষেত্রে আপনার কর্মদক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
জিম করার অপকারিতা
যদিও জিম করা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী, তবে এটি কিছু ক্ষতির কারণও হতে পারে, বিশেষত যদি সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করা হয়। নিচে জিম করার সম্ভাব্য অপকারিতা এবং তাদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো:
১. পেশি ও জয়েন্টের আঘাতের ঝুঁকি
জিমে ওজন তোলার সময় সঠিক ফর্ম বা টেকনিক না জানলে পেশি ও জয়েন্টে আঘাত বা ইনজুরি হতে পারে। আর এই ধরনের ইনজুরি দীর্ঘমেয়াদে মারাত্নক ঝুকির সৃষ্টি করতে পারে।
২. হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি
অতিরিক্ত ভারী ওজন উত্তোলনের ফলে হাড়ের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ক্ষয় সৃষ্টি করতে পারে।
৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
অতিরিক্ত পরিমাণে বা নিয়মিত বিরতি ছাড়া জিমে ব্যায়াম করলে "কোর্টিসল থিওরি" অনুযায়ী শরীরে কোর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এটি মানসিক চাপ বাড়িয়ে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে।
৪. মানসিক চাপ ও ক্লান্তি
প্রতিদিন অত্যধিক পরিশ্রম বা ওয়ার্কআউট করলে মানষিক স্ট্রেস এবং হতাশা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাকে "বর্নআউট সিন্ড্রোম" বলা হয়, যা আপনার মানসিক এবং শারীরিক কার্যকারিতাকে কমিয়ে দেয়।
৫. অতিরিক্ত ওজন হ্রাসের ঝুঁকি
যারা প্রয়োজনের বেশি ব্যায়াম করেন এবং সঠিক ডায়েট অনুসরণ করেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে পেশি ক্ষয় এবং অত্যধিক ওজন কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৬. হৃৎপিণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ
হৃদযন্ত্রে অতিরিক্ত চাপ পড়ার ফলে অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন বা "আরিথমিয়া"র ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। বিশেষত, যাঁদের আগে থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর।
৭. ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়া
"ইমিউন-সাপ্রেশন থিওরি" অনুসারে, অতিরিক্ত ব্যায়াম শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে দিতে পারে। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
জিম করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস
জিমে যাওয়া একটি ভালো অভ্যাস, তবে এটি শুরু করার আগে এবং নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার সময় সঠিক পরিকল্পনা মেনে চলা উচিত। উপরে আপনারা জানতে পেরেছেন জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। এখন জানবেন, জিম করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস। নিচে জিমের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস তুলে ধরা হলো:
জিম এর খাদ্য তালিকা
জিম করার সময় সঠিক খাদ্যতালিকা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই জিম শুরু করার পূর্বে, জিম করলে কি খাবার খেতে হয় বিশেষ করে Gym Supplements সম্পর্কে সঠিক ধারনা নিয়ে নিন। ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর শক্তি হারায়, যা পুনরায় পূরণ করতে পুষ্টিকর খাদ্য প্রয়োজন।
প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, এবং ডাল পেশি পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এছাড়া, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুটি বা ওটস থেকে শক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি জিম করার আগে ও পরে যথাযথ পানি করুন, কারণ শরীরের হাইড্রেশন লেভেল সঠিক রাখাও জরুরি।
নিয়মিত জিম করা
জিমের কার্যকারিতা তখনই বোঝা যায়, যখন এটি নিয়মিত করা হয়। আমরা অনেকেই জানি না যে, জিম ছেড়ে দিলে কি হয়। হঠাৎ জিম শুরু করে কিছুদিন পর বন্ধ করে দিলে শরীরের উপকারিতার পরিবর্তে ক্ষতি হতে পারে।
জিম শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো ভাবা উচিত
জিমে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আগে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত:
- আপনার শারীরিক সক্ষমতা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সঠিক ব্যায়ামের পরিকল্পনা তৈরি করুন।
- জিমে যোগ দেওয়ার আগে একজন ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে আলোচনা করুন।
- ব্যায়ামের পাশাপাশি সুষম খাদ্য ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
- শরীরের কোনও বিশেষ সমস্যার ক্ষেত্রে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
- ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে শুরু করুন এবং ধীরে ধীরে তা বাড়ান।
- নিজের উপযুক্ত সময়সূচি অনুযায়ী জিমের সময় নির্ধারণ করুন।
- জিম করার বয়স সাধারণত ১৭-১৮ বছর বয়সের পর থেকে শুরু হয় তাই আপনার বয়সের বিষয়টি বিবেচনায় রাখুন।
এই টিপসগুলো মেনে চললে জিম করার অভিজ্ঞতা আরও কার্যকর এবং স্বাস্থ্যসম্মত হবে।
উপসংহার - জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা
আমরা জানলাম, জিম করার উপকারিতা ও অপকারিতা উভয়ই রয়েছে। তবে জিম করার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শরীর ও মনের সুস্থতা নিশ্চিত করা। নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শারীরিক ফিটনেসই বাড়ায় না, বরং মানসিক চাপ কমিয়ে জীবনকে আরও সুন্দর এবং পরিপূর্ণ করে তোলে। তাই ধৈর্য এবং স্থিরতা বজায় রেখে সঠিক পদ্ধতিতে জিম করুন এবং সুস্থ জীবন উপভোগ করুন।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url